Headlines
Loading...
দীর্ঘজীবন লাভের উপায় (পর্ব-৩৪) : ধূমপানে কি সত্যিই স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হয়?

দীর্ঘজীবন লাভের উপায় (পর্ব-৩৪) : ধূমপানে কি সত্যিই স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হয়?

ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক এবং উচ্চ রক্তচাপের প্রকৃত কারণ এবং প্রতিরোধের উপায় জানার মাধ্যমে
দীর্ঘজীবন লাভের উপায়






অধ্যায়-৩২
ধূমপান নয়, বরং মদপান ক্ষতিকর

‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ এ কথা জেনে আসছি শৈশব থেকে বিভিন্নভাবে। মনে আছে, খুব শৈশবে সমবয়সীদের সাথে বিভিন্ন রকম সিগারেটের প্যাকেট থেকে তৈরি কার্ড দিয়ে নানা রকম মজার মজার খেলা খেলতাম। সব প্যাকেটেই দেখতাম লেখা থাকতো, ‘সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।’ পত্রপত্রিকায় ধূমপানের ক্ষতি সম্পর্কে অনেক লেখা পড়েছি বিভিন্ন সময়। এখনো পড়ছি। যারা ধূমপান করেন না, তাদের মুখে তো বটেই, খোদ যারা ধূমপান করেন, তাদের মুখেও শুনে আসছি ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ জাতীয় অনেক কথা। অনেক দেশেই পাবলিক প্লেসে তথা জনসাধারণ্যে ধূমপান করা দন্ডনীয় অপরাধ। পাবলিক যানবাহনে, বিভিন্ন অফিসে সতর্কবার্তা লেখা থাকে, ‘ধূমপান নিষেধ’, ‘ধূমপানমূক্ত এলাকা’, ‘ধূমপান বিষপান’ ইত্যাদি। এমনকি বিশ্বের অনেক দেশে হোটেল, অফিস বা বাড়িঘরে অবাধে মদপান করা গেলেও ধূমপান করা যায় না ফায়ার অ্যালার্মের কারণে। এসব জায়গায় কেউ ধূমপান করলেই তৎক্ষণাৎ ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠে!  বিগত কয়েক বছর ধরে সিগারেটের প্যাকেটে দেখি সচিত্র সতর্কবাণী। বিদঘুটে, ভয়ঙ্কর ছবির পাশাপাশি লেখা থাকে, ‘ধূমপান মৃত্যু ঘটায়’, ‘ধূমপান স্ট্রোকের কারণ’, ‘ধূমপানে খাদ্যনালী ও ফুসফুসে ক্যান্সার হয়’, ‘পরোক্ষ ধূমপান মৃত্যু ঘটায়’ ইত্যাদি। এসব দেখে ধূমপান যে মানুষের মারাত্মক সব ক্ষতির কারণ, কোনো রকম চিন্তাভাবনা ছাড়াই কথাটি বিশ্বাস করেছি এতো দিন। কিন্তু এখন কী হলো, যে জন্য ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশের প্রয়োজন দেখা দিল?


ধূমপানে যেসব ক্ষতির কথা বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে


বর্তমান পৃথিবীতে যদি ৬০০ কোটি মানুষ থাকে, তাদের মধ্যে যদি ১০০ কোটি শিশু হয়, যদি আরো ১০০ কোটি মানুষ পৃথিবীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খবর না রাখেন, আমার বিশ্বাস, অবশিষ্ট ৪০০ কোটি মানুষের সবার জানা আছে, ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’। এমনকি এদের প্রায় সবাই ধূমপানের কারণে স্বাস্থ্যের কী কী ক্ষতি হয়, তার অনেকগুলোই চোখ বন্ধ করে এক নিঃশ্বাসে বলে দিতে পারবে। যুগের পর যুগ ধরে সারা বিশ্বের মানুষ বিভিন্ন উপায়ে জেনে আসছে, ধূমপানের কারণে মানুষের ক্যান্সার, স্ট্রোক, হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক, ফুসফুসের ক্ষতি বা ফুসফুস-ক্যান্সার, উচ্চরক্তচাপ, যক্ষা এমনকি ডায়াবেটিসও হয়। আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থার পাশাপাশি চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞরা ধূমপানের বিরুদ্ধে যুগের পর যুগ ধরে নানান কথা প্রচার করে আসছে। সাধারণ মানুষ চারদিক থেকে নয়, আট-দশ দিকে থেকে এসব প্রচারণা শুনে বিশ্বাস করছে এবং নিজেরাও পরস্পরে আলোচনা করছে। সংবাদপত্রেও প্রায়ই ধূমপান ও তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অনেক নিবন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে। এসব পড়েও মানুষ ধূমপান ও তামাকের ক্ষতি সম্পর্কে অবগত হচ্ছে (তবে সতর্ক হচ্ছে না সবাই, কারণ তবু অসংখ্য মানুষ হরদম ধূমপান করছে)। ধূমপান ও তামাক ব্যবহারের বহুমুখী ক্ষতি সম্পর্কে সংবাদপত্রে প্রকাশিত এরকম কিছু সতর্কবার্তা এখানে উল্লেখ করা হলো।

* ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি) নামক একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ২০১৫ সালে একটি জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন তামাক (জর্দা, গুল, সাদাপাতা) সেবনের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশে ৫৭ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তাছাড়া প্রতিবছর ৪ শতাংশ নতুন ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে ১৫ থেকে ১৮ বছরের ধূমপায়ীর সংখ্যা বেশি।’ [প্রথম আলো, ২৫ অক্টোবর ২০১৭]

* বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে প্রথম আলোয় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, তামাকজনিত কারণে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর ৬০ লক্ষ লোক মৃত্যুবরণ করে। যার মধ্যে প্রায় ৬ লক্ষ লোক মৃত্যুবরণ করে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে।’ [প্রথম আলো, ৩১ মে ২০১৩]

* ৩ ডিসেম্বর ২০১৬ দৈনিক ইত্তেফাকে ডা. মোড়ল নজরুল ইসলামের ‘ধূমপানে ১৫ ধরনের ক্যান্সার হতে পারে’ শিরোনামে একটি লেখা ছাপা হয়। রিডার্স ডাইজেস্ট-এর এক গবেষণার ভিত্তিতে লেখাটি তৈরি করা হয়। বলা হয়, ‘সম্প্রতি (রিডার্স ডাইজেস্ট-এর) এক গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, শুধু ধূমপানের কারণে অন্তত ১৫ ধরনের প্রাণঘাতি ক্যান্সার হতে পারে। আর ১০ ধরনের লাং বা ফুসফুসের ক্যান্সারের ৯টিই হতে পারে ধূমপানজনিত কারণে।’

‘ধূমপানের ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া’ শিরোনামে দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত একটি লেখায় লেখক আফতাব চৌধুরী বলেন, ‘ধূমপান তথা তামাক সেবনের মাধ্যমে ক্যান্সারে ভোগে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা সহজ ও দুর্ভাগ্যজনক।...ধূমপানের জোরে যারা ক্যান্সারে মারা যান তারা বেশিরভাগ ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যান। তামাক শুধু একধরনের ক্যান্সার উপহার দেয় না, বহু ধরনের ক্যান্সারের কারক। তামাক সেবনের জোরে খাদ্যনালী, স্বরনালী, কিডনী, অগ্ন্যাশয়, জরায়ুমুখের ক্যান্সার হয়।’ [দৈনিক ইনকিলাব, ২৯ মে ২০১৭]

* ‘তামাক ব্যবহারের কারণে প্রতি বছর ৯২ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে এবং পঙ্গুত্ব বরণ করে চার লাখ।’ রাজধানীর (ঢাকা) তোপখানা রোডের বিএমএ ভবনের সভাকক্ষে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় আরো জানানো হয়, তামাকজাত দ্রব্য সেবনের কারণে হার্ট, ফুসফুস ও ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এক্ষেত্রে তামাককে ৬০ শতাংশই দায়ী করা হয়।’ [দৈনিক আমাদের সময়, ৬ নভেম্বর ২০১৭]

* ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ দৈনিক যুগান্তরে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস’ উপলক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ওয়ার্ল্ড হার্ট ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং ধূমপানমুক্ত পরিবেশ ছাড়া একজন ব্যক্তির পক্ষে হৃদরোগের ব্যাপারে ঝুঁকিমুক্ত থাকা কঠিন।’

‘মানসিক উত্তেজনা থেকে হার্ট অ্যাটাকের আশংকা’ শিরোনামে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত একটি লেখায় (লেখক: ডা. মোহাম্মদ সাইফউল্লাহ) বলা হয়, ‘অনেকের মানসিক টেনশনের সঙ্গে ধূমপান, মদ্যপান ইত্যাদি গ্রহণের পরিমাণও বেড়ে যায়, যা হার্ট অ্যাটাককে ত্বরান্বিত করে। এ কারণে মানসিক টেনশন ও হার্ট অ্যাটাক থেকে মুক্ত থাকতে হলে ধূমপান, মদ্যপান ইত্যাদিকে বর্জন করতে হবে।’ [দৈনিক যুগান্তর, ৩১ অক্টোবর, ২০১৫]

দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘উচ্চ রক্তচাপে করণীয়’ শিরোনামে একটি লেখায় (লেখক: অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ) ধূমপান সম্পর্কে বলা হয়, ‘ধূমপায়ীদের শরীরে তামাকের নানারকম বিষাক্ত পদার্থের প্রতিক্রিয়ায় উচ্চ রক্তচাপসহ ধমনী, শিরার নানারকম রোগ ও হৃদরোগ দেখা দিতে পারে।’... এজন্য ‘ধূমপান অবশ্যই বর্জনীয়। ধূমপায়ীর সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুন। তামাক পাতা, জর্দা, গুল লাগানো ইত্যাদিও পরিহার করতে হবে।’ [দৈনিক যুগান্তর, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮]

‘প্রসঙ্গ উচ্চ রক্তচাপ’ শিরোনমে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত আরেকটি লেখায় (লেখক: মো. আবু জাফর সাদেক) বলা হয়, ‘...বিড়ি/সিগারেট/এলকোহল বর্জন করা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।...সিগারেট/শারীরিক ওজন/কাঁচা লবণ নিয়ন্ত্রণ না করলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকির মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়।’ [দৈনিক যুগান্তর, ২৬ আগস্ট ২০১৭]

‘ডায়াবেটিসে মুখের যত্ন’ শিরোনামে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত একটি লেখায় লেখক ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ বলেন, ‘সময় এসেছে ডায়াবেটিস ও ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা থেকে রোগীদের মুক্ত থাকা। সঠিকভাবে সুগার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত ওষুধ সেবন, শারীরিক ব্যায়াম ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের পাশাপাশি কঠোরভাবে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন জরুরী। ধূমপান বন্ধের কোনো বিকল্প নেই।’ [দৈনিক যুগান্তর, ১১ নভেম্বর ২০১৭]

‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ উপলক্ষ্যে দৈনিক যুগান্তরের উপসম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত ‘ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব’ শিরোনামে একটি কলামে লেখক ড. অরূপরতন চৌধুরী টাইপ-২ ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়ার ৬টি কারণ উল্লেখ করেন, যার মধ্যে একটি হলো: ‘ধূমপান করা ও তামাক খাওয়া।’ [দৈনিক যুগান্তর, ১৪ নভেম্বর ২০১৭]

‘চিনির দোষ কোলেস্টেরলের ঘাড়ে’ শিরোনামে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত যে লেখা নিয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে, সেখানে আরো বলা হয়, ‘অবজ্ঞা, অবহেলা, সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করা, পরিমিত পুষ্টিকর সুষম খাবার না খাওয়া, ধূমপান পরিহার না করা, ব্যায়াম না করা, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান না করা, লাইফস্টাইল পরিবর্তন না করা, দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন না করা এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস না রাখার কারণে আমরা স্ট্রোক ও হৃদরোগের মতো জটিল রোগে  আক্রান্ত হই।’

দৈনিক নয়াদিগন্তে ‘স্ট্রোক পক্ষাঘাত : চিকিৎসা ও প্রতিরোধ’ শিরোনামে একটি লেখায় (লেখক: ডা. এম এ হানিফ) স্ট্রোক (পক্ষাঘাত) প্রতিরোধের জন্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের ১২ টি নির্দেশনার কথা উল্লেখ করা হয়, যার প্রথমটি হলো: ‘ধূমপান ছাড়ুন। যদি আপনি ধূমপায়ী না হন, তবে আর ধূমপান শুরু করবেন না।’ [দৈনিক নয়াদিগন্ত, ১ নভেম্বর ২০১৭]

দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘স্ট্রোক পরবর্তী পুনর্বাসন চিকিৎসা’ শিরোনামে একটি লেখায় লেখক ডা. এম ইয়াসিন আলী স্ট্রোক প্রতিরোধের আটটি উপায় উল্লেখ করেন, যার মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে, ‘ধূমপান বন্ধ করা।’ [১৮ নভেম্বর ২০১৭]

‘স্ট্রোক ও হৃদরোগের কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার’ শিরোনামে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত একটি লেখায় লেখক মুনীর উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনি হৃদরোগে ভুগলে ধূমপান পরিহার করুন। ধূমপান রক্তচাপের জন্য ক্ষতিকর। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে সিগারেটের নিকোটিন রক্তের শিরা বা উপশিরার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তবে এটা জোর দিয়ে বলা যাবে না যে, শুধু ধূমপান পরিহার করলে রক্তচাপ কমে যাবে বা হৃদরোগ ভালো হয়ে যাবে।’ [দৈনিক যুগান্তর, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬]

সতর্কবার্তাগুলো থেকে সংক্ষেপে যা বুঝা যায়, তা হলো: ফুসফুসের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ, স্ট্রোক বা মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি বিপজ্জনক সব রোগের জন্য ধূমপান ও তামাক সেবন দায়ী; বর্তমান পৃথিবীতে মানবমৃত্যুর জন্য যে রোগগুলো সবচেয়ে বেশি দায়ী, সেই রোগগুলোর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী ধূমপান এবং তামাক সেবন। মনে হয়, ধূমপান ও তামাক সেবনের প্রচলন না হলে রোগগুলো মানুষকে আক্রমণ করা দূরের কথা, এগুলো অস্তিত্বও লাভ করতো না পৃথিবীতে। এমনকি এখনও মানুষ যদি ধূমপান ও তামাক সেবন ছেড়ে দেয়, মনে হয় মানুষকে এসব রোগ আর আক্রমণ করতে পারবে না। বিষয়টা কি সত্যিই এমন?

৩৫তম পর্ব:
https://waytogainlonglife.blogspot.com/2022/09/blog-post_84.html

Occupation: Teaching, Hobbies: Writing

0 Comments: